রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

এক মাসে সাফারি পার্কে ১২ আফ্রিকান প্রাণীর মৃত্যু

গত এক মাসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে মারা গেছে ১২টি আফ্রিকান প্রাণী। এর মধ্যে সবশেষ বৃহস্পতিবার মারা যায় এক সিংহী। অ্যানথ্রাক্স, ইকোয়ান কারোনা ভাইরাস ও যক্ষায় মৃত্যু হয়েছে তদের।

পার্ক কর্তুপক্ষ বলছে, খোলা জায়গায় খাবার দেয়ায় স্থানীয় বানররা তাতে ভাগ বসায়। এভাবেই ছড়াচ্ছে রোগজীবাণু।

প্রাণী গবেষকরা বলছেন, আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকারা থেকে আনা প্রাণীর বেশির ভাগই বাঁচনো যায়নি। ছয় বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ১০টি জিরাফ নিয়ে শুরু হয় সাফারি পার্কের আফ্রিকান জোন। এরপর চারটি শাবক জন্মে। যা দেশের ইতিহাসে প্রথম। কিন্তু রুক্ষ এলাকার এই প্রাণী মানিয়ে নিতে পারছে না এখানকার আবাহাওয়া। দুই বছর আগে সব শেষ পুরুষ জিরাফটি যক্ষায় মারা যাবার পর পার্কে এখন মাত্র ৩টি মাদি জিরাফ।

ভালোই ছিল জেব্রার দল। ৩২টি ডোরাকাটার আফ্রিকান এই প্রাণীর ঘরেও এসেছে নতুন অতিথি। কিন্তু হঠাত ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণে মারা যায় ১১টি।

এরই মধ্যে অ্যানথ্রাক্সে মারা গেছে একটি বাঘ। সংক্রমণ ঘটেছে অন্যদেরও। তিন বছর ধরে বাঘের ডেরায় নতুন শাবক জন্মে না। বৃহস্পতিবার মারা যায় একটি সিংহী। ২১টি সিংহের মধ্যে এখন আছে মাত্র ছয়টি।

অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা ক্যাঙ্গারুও বাঁচানে সম্ভব হয়নি। এভাবে আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা প্রাণীরা পার্কে টিকে থাকতে পারছে না।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিরুর রহমান বলেন, মূল পার্কের বেশির ভাগ প্রাণীই ভিন্ন আবহাওয়ার। দেশের পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না। সহজেই রোগাক্রন্ত হচ্ছে।

সংক্রমণ ঠেকাতে পার্কে জীবানু নাশক ছিটানো শুরু হয়েছে। প্রাণীদের জন্য জলাধার সংস্কারের কাজও চলছে। বাহির থেক খাবার আনা বন্ধ করতে পার্কের ৪১৬ একর জমিতে চাষ হবে ভুট্টা ও ঘাস।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com